২০২২ সালের দক্ষিণ কোরিয়া'র নতুন সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে!! যারা সরাসরি সরকারি ভাবে প্রসেসিং করে কোন দালাল/এজেন্সি ছাড়াই দক্ষিণ কোরিয়া যেতে আগ্রহী তাদের জন্যই আমার এই পোস্ট।
দক্ষিণ কোরিয়া EPS এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সহ মোট ১৬ টি দেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করে থাকেন। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মাঝে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে৷ তার'ই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল নূন্যতম অভিবাসন ব্যয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিত কর্মী
প্রেরণ করে আসছেন। এটি একটি চলমান ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া, যার কারণে ইতিপূর্বে হাজারো যুবক তার মনের মধ্যে'র লালিত স্বপ্ন ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে পেরেছে কোন প্রকার প্রতারণা ছাড়াই!! নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই শুধু মাত্র দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়া যায়।

বেতনঃ দক্ষিণ কোরিয়ায় একজন অদক্ষ শ্রমিক হওয়া সত্তে ও প্রবেশের প্রথম মাস থেকেই ১.৫ লক্ষ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা আয় করা যায়।

ভিসা ক্যাটাগরি পরিবর্তন করে স্থায়ী ভাবে বসবাস করার সুযোগ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক শ্রম আইন অনুযায়ী দৈনিক ০৮ ঘন্টা ডিউটি কিন্তু চাইলে ওভারটাইম ও করা যায় সেক্ষেত্রে বেতন আরও অনেক বেশী পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সাপ্তাহিক ছুটি ০২ দিন (শনিবার ও রবিবার), কাজ করলে বেসিক বেতনের ৫০% অতিরিক্ত বেতন পাওয়া যায়।

সরাসরি সরকারি ভাবে স্বল্প ব্যয়ে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়া যায়, কোন ধরনের দালাল বা এজেন্সির সাহায্য প্রয়োজন হয়না!
সত্যতা যাচাই করুনঃ boesl (বোয়েসেল) গুগল অথবা ফেইবুকে পেইজে সার্চ করেন।
দক্ষিণ কোরিয়া যেতে আবেদনের যোগ্যতাঃ

সর্বনিম্ন SSC বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বয়স ১৮-৩৯ বছর

পাসপোর্টের মেয়াদ নুন্যতম ২৮-০৮-২০২২ তারিখ পর্যন্ত থাকতে হবে।
শর্তাবলীঃ

সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৯ এর মধ্যে থাকতে হবে।

কোরিয়াতে অবৈধভাবে বসবাস করে না থাকলে।

কোরিয়ার এয়ারপোর্ট থেকে ফেরত না পাঠিয়ে থাকলে।

সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সনদ থাকতে হবে।
২০২২ সালের সার্কুলারে নতুনদের জন্য আবেদনঃ

প্রতি বছরের ন্যায় এই বছর ও সরকারি ভাবে সার্কুলার হয়েছে। যারা এসএসসি উত্তীর্ণ ও মেয়াদযুক্ত পাসপোর্ট রেডি রয়েছে শুধুমাত্র তারাই আবেদন করতে পারবেন। আগামী ২৮,২৯,৩০ ও ৩১ আগস্ট-২০২২ইং পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

এবার লটারিতে উত্তির্ন হয়ে পরীক্ষা দেবার সুযোগ পাবে ১৫,০০০ জন।

কোরিয়ান ভাষা জানা লোক'রা পরীক্ষা দেবার সুযোগ পাবে ৯,০০০ জন।

সর্বমোট ২৪,০০০ জন৷
সার্কুলারে আবেদন করার পর কোরিয়া থেকে লটারি'র মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রার্থীদের কোরিয়ান ভাষা পরিক্ষা দেবার সুযোগ দিবেন। পরীক্ষায় সফলভাবে কৃতকার্য হবার একটা নির্দিষ্ট সময় পর কোরিয়া যাবার সুযোগ আসবে।

পরীক্ষার পদ্ধতিঃ
১. রিডিং + লিসেনিং ২০+২০ টা প্রশ্ন আসবে।
২. প্রশ্নের ধরনঃ UBT (Ubiquitous Based Test) (MCQ) পদ্ধতি।
৩. পূর্ণমান = ১০০+ ১০০ = ২০০
৪. পরীক্ষার পূর্ণমান ২০০।